Wednesday, January 12, 2022

মেয়েদের বুঝি সৃষ্টিকর্তা কোনো এক শুক্রবার খুব যত্নে, আদরে গড়েছেন।

 মেয়েদের বুঝি সৃষ্টিকর্তা কোনো এক শুক্রবার খুব যত্নে, আদরে গড়েছেন।🥰🥰

হলি ক্রস কলেজের প্রিন্সিপাল সিস্টার শিখা মহিয়সী ছাত্রীদের উদ্দেশে বলেছেনঃ

"চোখে চোখ রেখে কথা বলবে,

"Eye contact is very important"

"আমি যেন কখনই না দেখি তোমাদের ভারী ব্যাগের বোঝা বাবা মাকে দিয়েছ, নিজের ব্যাগের ভাড় নিজেই বহন করবে। ঠিক তেমনি নিজের জীবনের ভাড় নিজেই বহন করবে"

"ইতিবাচক বেহায়া হও, নেতিবাচক বেহায়া হবে না"

"Sometimes you cant find out your beauty, someone else can find it out. So never think you are useless"

"কালো কাজল যদি তোমার চোখকে সুন্দর করতে পারে, তবে হতাশা কেনো জীবনকে নয়?" "মেয়েরা, জীবন কখনও সরলরেখায় চলে না, চলবেও না।" "মেয়েরা, 'না' বলতে শিখবে।"

"The world is burning and someone is pouring petrol in it"

"সব ছেলেরাই সষ্ট্রার সৃষ্টি, তাহলে তোমরা কিভাবে ভাবো কেউ একটু আলাদা হবে? ”

"নারী হলো আল্লাহর সবচেয়ে যত্নে তৈরি করা সৃষ্টি৷ নারী হলো আল্লাহর ছুটির দিনে বাড়ির কাজের মতো পরম যত্নে তৈরী জিনিস, প্রতিটি নারী তার নিজস্ব স্বকীয়তায় সুন্দর।"

"এই পৃথিবীতে ঘটে যাওয়া অপরাধ গুলোর কারণ মূলত তিনটি, 'Money', 'Power', 'Sex' ।"

"মেয়েরা, কখনো কেউ তোমাকে ধোঁকা দিলে, নিজেকে তৈরি করবে, জীবনে সফলতা অর্জন করবে... যেদিন কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন করতে পারবে, সেদিন সে তোমার সফলতা দেখে নিজেই অনুতপ্ত হবে।" "মনে রাখবে কঠিন প্রশিক্ষন, সহজ পরীক্ষা" "পৃথিবীর সবথেকে বড় যুদ্ধ হলো, আমাকে আমি করে তোলা"

"আমার মেয়েরা বস্তিতেও ফিট, রেডিসনেও হিট"

"মেয়েরা মনকে রংগীন করবে, বিআরটিসির লাল বাসের মতো"

"কোনো দিন পার্টনারকে ঝাড়ি দিয়ে বলবে না, 'তোমার মত মানুষ আমি আর একটাও দেখিনি।' বরং ভালোবেসে বলবে 'তোমার মত মানুষ আমি আর একটাওওও দেখিনি। সব মানুষ যদি তোমার মন মত হতো তাহলে মেলায় মানুষ কিনতে পাওয়া যেত আর সবাই মেলা থেকে পছন্দমত মানুষ কিনে নিতো।"

"মেয়েরা, যেখানেই যাবে রানীর মতো থাকবে৷ তুমি যদি ঘরের গৃহিণী ও হও, সেখানেও রানীর মতো থাকবে" "মনে রাখবে মেয়েরা, তোমরা অনেক মূল্যবান কারন তোমার একটা জঠোর আছে"

"তোমার একটা 'হ্যাঁ'/'না' তোমার জীবন বদলে দিতে পারে।

"মেয়েরা তোমাদের মনটা যেন বাসের হেল্পারের মত বড় হয়। পাবলিক বাসের হেল্পাররা বাসের ভেতর বসার জায়গা না থাকা সত্ত্বেও প্যাসেন্জার ওঠার সুযোগ করে দেয়। তাকে সিট অাছে কিনা জিজ্ঞেস করলে সিট খালি থাকুক বা না থাকুক সে সবাইকে বলে, হ্যাঁ সিট অাছে। সে সবাইকে বাসে টেনে তোলে। জায়গা করে দেয়। কাউকে ফেলে যায় না সে। তোমরাও তোমাদের মনটা তার মত উদার করবে।

"আর একা চলতে শিখ। একা হতে কখনো ভয় পাবেনা।"

"no news is good news"

"Good luck bad luck, who knows?

Only God knows"

"মেয়েরা নিজেদের বিক্রি করে দিও না। সস্তা বানিয়ে ফেলো না" "তোমরা যেখানেই যাও না কেন, Be an assets" "তুমি হেঁটে গেলে যেনো মানুষ দুইবার তাকিয়ে দেখে এমন ভাবে নিজেকে গড়ে তোলো। "আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে বলবে- I'm the most beautiful lady in the world, I'm the emperor of my own world."

"রাজ্য চালায় রাজা, আর রাজাকে চালায় রাণী।

"Don't be so expensive, Don't be so cheap!

"মনে রেখো, তুমি ভাগ্যবতী, কারণ তোমাকে ভালোবাসার মতো কেউ না কেউ এই পৃথিবীতে আছে। ভালো' শব্দটা 'ভালোবাসা'-র অর্ধেক, তাই যা কিছু ভালো সেগুলোকে ভালবাসবে।

আমার মেয়েরা শুভ্র ফুলের মতো, এমনি হয়তো কেউ খেয়াল করবে না। কিন্তু তারা চুপ থেকে নিজের কাজের মাধ্যমে সবার মধ্যে জায়গা করে নিবে, সুভাষ ছড়াবে😍


Wednesday, April 8, 2020

আল্লাহ তোমাদের নালিশ গ্রহন করেছেন!


উটদের গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে   

মানুষ, পাহাড়, নদী, সমুদ্র, পাখ পাখালি, বন, পশুপাখি জীবজন্তু, সবারই রব মহান আল্লাহতালা!

তিনি যেমন মানুষের দোয়া অগ্রাহ্য করেন না তেমনি তার বাকি সৃষ্টিকুলের দোয়াও অগ্রাহ্য করেন না!
সবার দোয়ায় তিনি কবুল করেন!

এই যে মানব জাতি পাহাড় ধ্বংস করছে নিশ্চয়ই পাহাড়েরা আল্লাহর কাছে নালিশ করেছিল আর সেই নালিশের বিচারে আল্লাহ এখন করছেন!

নদীতে ফেলা হচ্ছে জগতের সকল বর্জ্য!  এখানে-সেখানে বাধ দিয়ে, নদী ভরাট করে নদীর উপর যে অত্যাচার করা হয়েছিল, তখন নদী আল্লাহর কাছে  মানুষের বিরুদ্ধে করেছিল!  আল্লাহ সেই নদীর দোয়া কবুল করেছেন!

সমুদ্রে ভেসে আছে কোটি কোটি টন প্লাস্টিকের বর্জ্য ! জাহাজ থেকে নিষ্কাশিত  হচ্ছে তেল, দূষিত করছে পরিবেশ!সমুদ্রের প্রাণী শিকার করে সমুদ্রের বৈচিত্রতা নষ্ট করেছে সেই সমুদ্রের নালিশ ও আল্লাহ ফেলে দেননি!

বাড়িঘর, মিল কারখানা তৈরির জন্য মানুষ যেভাবে বন নিধন করছে সেই বনের নালিশ ও আল্লাহ ফেলে দেননি!

আর জীবজন্তুর উপর মানুষ কি পরিমান অত্যাচার করেছে তা আর বলার ভাষা রাখে না!  পাখি শিকার, পশু হত্যা,  আগুনে পুড়িয়ে মারা গুলি করে হত্যা,  এসব অবলা প্রাণিদের চোখের পানি আল্লাহ দেখেছেন!

তাই আজ পাহাড় সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে, নদী বয়ে চলেছে, পাখি মুক্ত হাওয়ায় উড়ে বেড়াচ্ছে, জীবজন্তুরা মুক্তভাবে চলাফেরা করছে শুধু সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ আজ ঘর বন্দি! তাদের টাকা -পয়সা, অহংকার যশ খ্যাতি কিছুই আজ কাজে আসছেনা! 

হয়ত একদিন এই অবস্থার উন্নতি ঘটবে, মানুষ আবার ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসবে, তখন আবার তারা এই অবস্থা থেকে শিক্ষা না নিয়ে প্রকৃতির উপর আবার বর্বর হয়ে ওঠবে!


 ©নাসিম

Sunday, October 27, 2019

Md Nasim Mia Joy's Photos.



Nasim and his cute brother Nowshad!





Friday, November 2, 2018

_______‌অ‌‌পরিচিতা ও আমি________
#প্রথম_পর্ব
.

গোধুলী বেলা। আমি একা একা আনমনে প্রতিদিনকার মতো ধানখেত গুলোর মধ্যে দিয়ে যাওয়া সবুজ ঘাসে আবৃত সরু  মেঠো পথটা ধরে হাটছিলাম। আমার রীতিমতো একটা অভ্যাস যে হাঁটার সময় এদিক ওদিক চেখে দেখা, আর পাখি দেখলেই তাদের কন্ঠ নকল করার বৃথা চেস্টা। তো সেদিনও আমি শিস বাজাতে বাজাতে এদিক ওদিক চেয়ে চেয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ কোথা থেকে একটা পোকা এসে আমার চোখে পড়ে গেলো। ফাঁকা রাস্তা,  চারপাশের কেউ নেই যে যাকে বলতে পারব যে চোখ থেকে পোকাটা বের করে দিতে।  তাই আমি কাওকে না পেয়ে চোখের অসম্ভব জ্বালাতন নিয়েই দৌড়াতে শুরু করে দিলাম। চোখ দিয়ে অবিরাম অশ্রু ঝড়ছে আর আমি দৌড়াচ্ছি।  হঠাৎ দেখলাম কে যেন রাস্তা দিয়ে হেঁটে আসছে।
‌‌:  এই যে শুনুন!
: হ্যাঁ বলুন।  (বিরক্তির স্বরে)
: দেখেন তো আমার চোখে কি পড়েছে?
 :  ও আচ্চা।  (মধুর স্বরে)।  মাথা নিচু করুন আর হাত দিয়ে চোখটাকে ভাল ভাবে ধরুন।
  : আচ্চা।
: আপনার চোখে তো একটা বিষাক্ত পোকা পড়েছে। দাঁড়ান আমি বের করে দিচ্ছি!
,
ও এই কথা বলতে বলতে ওর ওড়নার কোণা দিয়ে আমার চোখ থেকে ধীরে ধীরে মনে হচ্ছিল যেন পরম মমতায়  পোকাটা বের করে দিল। তারপর ও আমার চোখে হালকা ফুঁ দিয়ে বলল " দেখেন এখন ঠিক আছে কিনা?"
ও যখন আমার চোখে ফুঁ দিয়েছিল তখন আমি আড়চোখে চেয়ে ছিলাম তার মুখের দিকে।
দেখছিলাম ঐ ঠোট জোড়া দিয়ে কত অজানা মমতায় ফুঁ দিচ্ছে আমার চোখে।

ও বলল-
: এখন ঠিক আছে?
: হুম। ঠিক আছে। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
:  ঠিক আছে। আচ্চা আমি এখন যাই। ( সে মিস্টি একটা হাসি দিয়ে চলে গেল)
: আচ্চা। ভালো থাকবেন।
আমি তখনো সেখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম আর তার    চলে যাওয়া চেয়ে চেয়ে দেখলাম। 
কিন্তু ওনার নামটা কি তা জানা হলোনা।  দূর!
.
আরো পর্ব আসছে....

Tuesday, October 2, 2018

Read my thoughts on @YourQuoteApp at https://yq.app.link/AmRcv3ygGQ

#secondquote #emotions  #emotionalquotes #lovequotes
#reality #neverforget #forever 

Monday, September 3, 2018

নারীর মুক্তি ( পর্ব- ১)

কেউ একজন যদি গাছে চড়তে চাই তাহলে নিচ থেকে কয়েকজন লোকে সর্বোচ্চ গাছের গোড়ার মোটা অংশটুকু ঠেলে পার করে দিতে পারে। বাকি অংশটুকু তাকে তার নিজের শক্তি আর মনোবল দ্বারাই চড়ে চড়ে পার করে গাছের উপরের অংশে ওঠতে হয়। উপরের অংশটুকু নিজে চড়ার ইচ্চা আর মনোবল না থাকলে নিচে থেকে হাজার লোকে ঠেলেও তাকে গাছের ঠগায় তোলতে পারবেনা। হাজার লোকেও তাকে সেই গোড়ার অংশটুকু টপকাতেই সাহায্য করতে পারবে।এর বেশি কিছুই করতে পারবেনা। আর এই নিজের ইচ্চা আর মনোবল না থাকলে তার কখনো গাছে চড়া হবেনা।
আমাদের নারীজাতি আর নারীবাদীদের হলো একই দশা! আমাদের নারীরা কখনো তাদের এই অবহেলার বেড়াজাল থেকে বেরুতে পারবেনা। কারন তারা নিজেদের পরিবর্তন করতে  চাইনা।
নাদিয়া ইসলাম, তসলিমা নাসরিনদের মতো নারীবাদীরা শত চেষ্টার পরেও এই অবস্থার পরিবর্তন করতে পারবেনা। কারন তারা শুধু এই   শৃঙখলে আবদ্ধ নারীদের গাছের গোড়া মোটা অংশ টপকানোর মতো মনে শৃঙখল ভাঙার রসদ জুগাতে পারবেন। এর বেশি কিছু পারবেন না। বাকিটুকু নিজেকেই করতে হবে একা বেয়ে বেয়ে গাছের ঠগায় ওঠার মতো।
হয়ত অনেক নারীরাই এখন শৃঙখল মুক্ত। কিন্তু সবার তুলনায় তা অতি নগন্য।  যা উদাহরন বা বিশ্লেষণে ও পড়ে না।
আমি একটা কথা বলেছিলাম যে আমাদের দেশের নারীরা নিজেরায় পরিবর্তন হতে চাইনা। কারন তারা পরাধীনতাকেই ভালবেসে ফেলেছে। তাই স্বাধীনতার স্বাদ আর তাদের গ্রহণ করা হয়ে ওঠেনা। তারা পরাধীন থাকতে থাকতে তারাও যে ইচ্চা করলে বাঁধ ভাঙতে পারে একথা ভুলেই যায়।৷ 
আমাদের নারী জাতিকে যে রোগে দূর্বল করে রেখেছে তার নাম হল চক্ষু লজ্জ্বা।  এই চক্ষুলজ্জার কারনেই নারী জাতিকে আজও এত ধবল সহ্য করতে হচ্ছে। নারীজাতির এই মুক্তির জন্য প্রথমেই তাকে চক্ষুলজ্জা পরিহার করতে হবে। চক্ষুলজ্জা পরিহার করার মানে এই নয় যে চোখে চোখ লাগিয়ে ঝগড়া করা, সকলের অবাধ্য হওয়া।  চক্ষু লজ্জার পরিহার মানে হল নিজের মনের ইচ্চা ভাবনা কাওকে ভয় না পেয়ে তুলে ধরা, সত্য অকপটে বলা, নিজেদের প্রতি হওয়া বৈষম্য নিজেদেরই দূর করা। এই চক্ষুলজ্জার কারনে তারা না পারে ফ্যামিলিকে মনের ইচ্চা জানাতে, না পারে সমাজে নিজের ইচ্ছে মতো চলতে।
আজ আর বেশি কিছু বলবনা। শুধু এটুকুই বলি আমরা সবাই সমান।
বিঃদ্রঃ স্বাধীনতা মানে বেহেয়াপনা নয়, স্বাধীনতা মানে চারপাশ উজ্জল করা, নিজের মনের চিন্তা বাস্তবে রুপ দেওয়া।

Monday, August 20, 2018

পাব কি দেখা?

শরৎতের এই অসহ্য গরমে
কাঠফাটা রোদ্র মাথায় নিয়ে
পথে প্রান্তরে,  মাঠে ঘাটে
তোমায় খুঁজে ফিরি সর্বস্থানে। 
পাবো কিনা দেখা তাও জানিনা
ওগো আমার প্রিয় অপরিচিতা!!!

Tuesday, August 14, 2018

আমরা শোকাহত

আজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী।  এই দিনে এই মহান নেতার প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

Thursday, August 9, 2018

অপরিচিতা থেকে চিরপরিচিতা

কোলাহল আমার চিরকালেরই বিরক্তির কারন। তাই শহর থেকে মোটামোটি অনেকটা বেড়িয়ে হাটতে হাটতে গ্রামাঞ্চলের দিকে চলে গেলাম। মেঠোপথের ধার দিয়ে হাটতে হাটতে পৌছে গেলাম একটা বিশাল নির্জন ফাঁকা জায়গায়। আমি রাস্তার ধারের ঘাসের মাঝে বসেছিলাম। রাস্তাটা মোটামোটি জনমানবহীন। খুব কম লোকেই এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে। আর আমার সামনে ছিল বিশাল এক জলাভূমি।  আমি এটাকে বিল বলব,  নাকি ডোবা বলব, নাকি অন্যকিছু বলব তা ভেবে ওঠতে পারিনি। একা একা অনেকক্ষণ যাবত বসে আছি। জল থেকে আসা বাতাসে হালকা হালকা চুল উড়ছে।  এবাবে প্রায় ঘন্টা খানেক আনমনে বসে থাকলাম।  কি যেন বসে বসে ভাবছিলাম, হয়ত বিচরন করছিলাম কল্পনালোকে।
হঠাৎ একটা স্পর্শে আমি খেয়ালে ফিরে আসলাম। কে যেন আমার দুচোখ দুহাত দিয়ে ঢেকে রাখছে। হালকা হাসির শব্দে আমার বুঝতে অসুবিধা হলোনা যে যিনি আমার চোখ বন্ধ করে রেখেছেন তিনি একটা মেয়ে। সে বললঃ
- বলুন তো আমি কে?
- আমার অপরিচিতা।
-  অপরিচিতা মানে?? বলতে বলতে মেয়েটি আমার চোখ থেকে হাত সরিয়ে নিল।
আমার বুঝতে একটু অসুবিধা হলনা যে মেয়েটি নিশ্চয় কারো সাথে আমাকে মিলিয়ে ফেলেছে। তাই আমার মুখ দেখে রীতিমতো চমকে ওঠল। হয়ত অপরিচিত কারো চোখ ধরে ফেলেছে বলে। আমি বললামঃ
- অপরিচিতা হলো আমার স্বপ্নের রাণী।
- তাহলে সে কোথায়?
- তাকেই তো খুঁজছি। সে তো আমার স্বপ্নে থাকে।
- হা হা ( হালকা হেসে) ।  আপনি এই বিলের মাঝে আপনার অপরিচিতাকে খুঁজছেন নাকি?
- তা হবে কেন?
  সাদার মাঝে আকাশী রঙের কি জানি একটা ড্রেস , পায়ে নুপুর পড়া মেয়েটি হঠাৎ ওঠে চলে যেতে চাইল। আমি বললামঃ
- আরেকটু থাকেন না।
- থাকলে কি হবে?
- একটু কথা বলা যাবে। একা একা তো অনেকক্ষণ যাবত বসে রইলাম তো।
- আচ্ছা ঠিক আছে।  আপনাকে তো আগে এই এলাকায় কখনো দেখেছি বলে মনে হয়না? আপনার বাসা কোথায়?
- আমার বাসা ময়মনসিংহে। আজকেই প্রথম এই এলাকায় আসলাম।
- ও। তো কেন আসলেন? কোনো কাজ আছে নাকি?
- নাহ। কোনো কাজ নেই। বললামই তো আমার অপরচিতাকে খুঁজতে এসেছি। আমার মনে হয় তাকে আমি এই এলাকাতেই খুঁজে পাব।
-খুঁজে কি পেয়েছেন?
- না।  এখনো পাইনি। কিন্তু খুব শ্রীগ্রই পেয়ে যাব বলে মনে হচ্ছে।
- আপনি তো খুব আজব লোক।  নিজের অপরিচিতাকে খুঁজতে আপনি সেই ময়মনসিংহ থেকে এখানে এসেছেন। আচ্ছা আমি আপনাকে আপনার অপরিচিতা খুঁজে পেতে সাহায্য করব।
- শুনে খুশি হলাম। ধন্যবাদ।
- আচ্ছা এত কথা বলছি তার মাঝে তো আপনার নামটাই জানা হলনা। কি নাম আপনার?
- আমার নাম নাসিম!  আপনার?
- আমার নাম অধরা।
- বাহ! খুব সুন্দর নাম তো আপনার।
- ধন্যবাদ।  আপনার নামও মন্দ নয়।
একজন বাদাম বিক্রেতার কাছ থেকে কিছু বাদাম কিনে রাখলাম। বললামঃ
- নেন। কিছু নেন।
- ঠিক আছে। আচ্ছা আমরা তো অনেকটা ফেন্ড হয়ে গেলাম।  তাহলে তো আমরা এখন আপনি আপনি না বলে তুমি করেই বলতে পারি।
- আচ্ছা ঠিক আছে।  আপনার ইচ্ছা।
- আবার আপনি?
- সরি তোমার ইচ্ছা।
- তো তোমার অপরিচিতা দেখতে কেমন?
- হা।  ও দেখতে আমার মনের মতো। 
- তাহলে সেটা আমি বুঝব কি করে সে কেমন?
- ধরে নাও তোমার মতোই।
- আমার মতো??? (একটু অবাক হয়ে)
- হা।
- আচ্ছা খুজে দিতে চেস্টা করব।
- আচ্ছা তোমার কি কোনো মনের মানুষ নেই?
- নাহ!  অনেকেই প্রস্তাব দিয়েছিল কিন্তু মনের মতো না হওয়ায় গ্রহন করিনি।
- আচ্ছা তোমার কেমন ছেলে পছন্দ?
- সহজ সরল সাদা মাটা পরিষ্কার মনের একটা ছেলে। যার সব কিছু ঘিরে থাকব শুধু আমি।
- বাহ!  ভাল।
- কি ভাল?
- মনের ইচ্চা।
- অনেকক্ষণ তো হল। এবার আমাকে  যেতেই হবে। বাড়িতে বোধ হয় খুঁজছে?
- তোমাদের বাড়ি কোনটা? 
-ঐযে গাছগুলোর মধ্যে দিয়ে দেখা যাচ্ছে ছোট্র একটা বাড়ি ঐটা।
- বাহ!  বেশ ভাল। আরেকটু বসো প্লিস?
- আচ্ছা ঠিক আছে কিন্তু বেশিক্ষণ নয় কিন্তু। নৌকা চড়েছো কখনো?
- হা চড়েছি। নানু বাড়িতে যাওয়ার সময় নৌকা দিয়ে যেতে হয়। কিন্তু এই ডিঙিগুলো কখনো চড়িনি।
- কেন?
- সাঁতার জানিনা তো। যদি কখনো উলটে যায়?
- তুমি সাঁতার জাননা? আচ্ছা আরেকদিন দেখা হলে ডিঙি চড়াতে নিয়ে যাব।
- বেশ! 
- সত্যিই এবার কিন্তু আমাকে যেতে হবে। তোমার সাথে বলে ভালই লাগল। ভালো থেকো।
- আরে কোথায় যাচ্ছ? যাওয়ার আগে ফোন নাম্বার টা তো দিয়ে যাও, অপরিচিতাকে খুঁজে পেলে কিনা জানব কি ভাবে?
- আচ্ছা নিন. ০১৭********
-ধন্যবাদ।  আবার দেখা হবে। ফোন দিলে ধরো।
সে চলে গেল। কিন্তু সেই শেষ বিকালে আমার আছে রেখে গিয়েছিল এক মধুর স্মৃতি।  সেখানে আরো কিছুক্ষণ বসে থাকার পর হেঁটে হেঁটে বড় রাস্তায় ওঠে একটা গাড়ি ধরে শহরে চলে আসলাম। তারপর সেখান থেকে সন্ধার গাড়ি ধরে বাড়ি ফিরে আসলাম। ক্লান্ত শরীর,  সাথে একগুচ্ছ মধুর স্মৃতি। সত্যি বলতে কি আমার মনটাই সেদিন হারিয়ে ফেলে এসেছিলাম মেঠোপথের ধারের জলাশয়ের পাশের সেই নুপুর পড়া,  ভুল করে আমার চোখ ধরে ফেলা মেয়েটির মাঝে।
রাতে বাড়ি ফিরে ফ্রেস হয়ে খাবার সেরে তাকে ফোন দিলামঃ
- হ্যালো।  কে অধরা?
- হা।  আপনি কে?
- আমি নাসিম
- ও তুমি?
.
.
.
.
-এভাবে দুজনে একসাথে থাকব সবসময়।
.সেই যে কথা শুরু হল আজও চলছে। চলুক না জীবনভর।
ধীরে ধীরে সেই অধরাই হয়ে ওঠল আমার সেই স্বপ্নের মেয়ে।  আমার অপরিচিতা...

@নাসিম কর্তৃক লিখিত....

Saturday, August 4, 2018

ক্ষণিকের অতিথি

ক্ষণিকের জন্য আসি আমি
তোমাদের সবার জীবনে
আবার ঠিক চলে যাই 
তোমার স্বার্থ মিটিলে
তোমাদের মাঝে আসা যাওয়ায় 
মোর জীবন করেছি দান
এর মাঝেই গেয়ে যাই আমি
আমার ক্ষণিকের সুখের গান।
---------------------- নাসিম

Friday, July 20, 2018

অতিথি সংস্কৃতির আগমণ ও আমাদের মাঝে তার প্রভাব অতিরিক্ত ভাবে প্রভাবিত করার ফলে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি মরি মরি অবস্থা।
কুপি বাতির তেল যেমন শেষ হয়ে গেলে তার শিখা ধীরে ধীরে নিবে যেতে থাকে তেমনি অতিথি সংস্কৃতির প্রভাবের কারনে আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির বেহাল দশা। 
আমরা ভুলে যাচ্ছি যে আমাদের ঝুলিতে আছে এক গৌরবান্বিত ইতিহাস, আছে নিজস্ব শ্রুতিমধুর ভাষা, আমাদের দেশে বার মাসে তেরটি প্রাবন হয়। আছে পহেলা ইবৈশাখ, বই মেলা, পৌষ মেলা, নবান্ন সহ কত মধুর উৎসব। কিন্তু আমরা এসব ছেড়ে যত আজাইরা বিদেশী অনুষ্ঠান নিয়ে ব্যস্ত।
আমরা এটা কেন মানতে চাই না যে শুট বুট আর টাই আমাদের সম্মান বাড়াতে পারবে না। এতে আমাদের কোনো গৌরব নেই। আমাদের সম্মান তো নিহিত আছে ঐ লুঙ্গি, ধুতি আর পাঞ্জাবির মাঝে। আমাদের রমনীদের আসল সৌন্দর্য ঐ টিজ, লেহেঙ্গা, প্লাজু আর হাই হিলে না। তাদের আসল সৌন্দর্য তো শাড়ীতেই ফুটে ওঠে। 
আমাদের মুখের স্বাদ তো বার্গার, চাইনিজের মধ্যে না। স্বাদ তো ঐ দুধ চিতল, ভাপা, আর রসের পিঠার মাঝে।
আমাদের মনের ভাব তো জাস্টিন বিভার, শাকিরার গানে প্রকাশ পায় না। আমাদের মনের ভাব তো প্রকাশ পায় রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, হাসনরাজা, আর লালনের গানে।।। 
আমরা চাইলে অনেক কিছু করতে পারি। কিন্তু সেই ইচ্ছা শক্তির যে বড়ই অভাব।
আচ্ছা আমরা বাঙালিরা এমন কেন???????????

Tuesday, May 22, 2018

স্বপ্নে বিভর


---------- নাসিম
.
আমার বাড়ির পাশে এসে ডাকপিয়ন জোরে জোরে ডাকছে। নাসিম বাড়ি আছো? আমি ঘর থেকে বের হয়ে ওনার কাছে যেতেই ওনি বললেন আপনার নামে একটা চিঠি এসেছে।চিঠিটা খুলে দেখলাম আমার নানু বাড়ি থেকে পাঠানো হয়েছে। পড়ে দেখলাম গ্রীষ্মের ছুটিয়ে যেন সেখান থেকে বেড়িয়ে আসি। আমি ভাবলাম অনেকদিন ধরে যেহেতু যাওয়া হয়না তাই এই ছুটিতে একবার ঘুরে আসলে মন্দ হয়না। তাই পরদিন সকাল করে রওনা দিলাম নানু বাড়ির উদ্দেশ্যে। নানু বাড়ি আমাদের বাড়ি থেকে মোটামুটি দূরে হওয়ায়।আমি কিছুটা পথ হেটে গিয়ে একটা গরুর গাড়িতে ওঠলাম। গরুর গাড়ির হালকা দোল, চাকার ক্যাচ ক্যাচ আওয়াজ সাথে গাড়িয়ালের গলার ভাটিয়ালি গান সত্যিই একটা উপভোগ্য মুহূর্তের সৃষ্টি করেছে। সাথে আমিও মনের সুখে গুনগুনিয়ে গান গাইতে লাগলাম। এবাবে চলতে চলতে প্রায় ২ ঘন্টাতে অনেকটা পথ এসে পরেছি। এখন নদী পার হয়ে কিছুদূর গেলেই নানুর বাড়ি। পানিতে ভরা নদীর মাঝে পাল উড়িয়ে কয়েকটা নৌকা চলছে। আমি ভাল দেখে এক নৌকার মাঝি ভাইকে ডাক দিয়ে নৌকাই ওঠে বসলাম। এই গরমে নদীর বাতাসে শরীরটাকে শীতল করে তুলেছে। নৌকা এসে পাড়ে ভিড়ল। আমি নৌকা থেকে নেমে হাটা শুরু করলাম। ১০ মিনিটের মতো হাটলে নানু বাড়িতে পৌছে যাব। সরু মেঠো পথ ধরে হাটছি। রাস্তার পাশের জমি গুলাতে দেখি কেউ কেউ লাঙল দিয়ে হাল চাষ করছে, কেউ জমিতে নিড়ানি দিচ্ছে, কেউ ফসল তোলছে। সবার মুখেই হাসি। এবাবে বেশ কিছুক্ষন হাটতে হাটতে নানু বাড়িতে পৌছে গেলাম। এসে গরমের মাঝে ফ্রেস হয়ে হালকা নাস্তা করে মাদুর পেতে ওতে বসে বসে হাতপাখা দিয়ে বাতাস করছি। এভাবে দুপুর কাটিয়ে দিলাম। বিকালে মামাত ভাইদের নিয়ে মাঠে গেলাম ঘুড়ি ওড়াতে, ঘুড়ি ওড়িয়ে, কানা মাছি খেলে, দৌড় ঝাপ পেরে সন্ধ্যাই নামু বাড়িতে ফিরলাম। এসে দেখি নানু আমার জন্য বিভিন্ন রকমের পিঠা বানাচ্ছে। প্রত্যেক ঘরে ঘরে হারিকেন জ্বলছে। আমি ঘর থেকে মাদুরটা এনে উঠুনে বিছিয়ে দিলাম। চাদানী রাতে তারা ভরা আকাশের নিচে বসে মামাত ভাইবোনদের সাথে গল্প করছি আর নানুর বানানো পিঠা খাচ্ছি আর হাতপাখা দিয়ে বাতাস করছি। রাতের খাওয়া সেরে হারিকেনটা নিভিয়ে জানালার পাশে শুয়েছি দেখি জানালা দিয়ে চাঁদের আলো ঘরে আসছে, ঝোপের ধারে সহস্র জোনাকির মিট মিট আলো সাথে ঝি ঝি পোকার ডাক। এসব দেখতে দেখতে কখনযে ঘুমিয়ে পড়েছি তা খেয়াল নেই। পরদিন সকালে পাখি কলকাকলিতে ঘুম থেকে ওঠে মামার সাথে হাটতে বের হয়েছি। দেখি ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা সবাই দল বেধে মক্তবে যাচ্ছে। গৃহিণীর উঠোন ঝাড়ু দিচ্ছে। কৃষকরা লাঙল জোয়াল কাধে নিয়ে জমির দিকে যাচ্ছে। তারপর বাড়িতে ফিরে নাস্তা করে আবার ঘুরিতে বের হলাম। দেখি কতকগুলা মেয়েরা একসাথে বসে গল্প করছে আর কাথা সেলাই করছে। সবাই যার যার মত ব্যস্ত হয়ে পরেছে। দুপুতে মামা, মামাত ভাইদের সাথে নিয়ে নদীতে গোছল করতে গেলাম। সাঁতার, ঝাপাঝাপি করে নানু বাড়িতে ফিরে দুপুরের খাবার খেয়ে সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলাম। বাড়িতে ফিরার সময় গরুর গাড়িতে বসে বসে সূর্যাস্তের দৃশ্য দেখ ছিলাম আর ঝিমুচ্ছিলাম। হঠাত একটা টুং শব্দে আমার দিশা ফিরে এল। দেখলাম আমার মেসেঞ্জারে এক বন্ধু মেসেস করেছে। আমার স্বপ্ন ভেঙে গেল। এতক্ষনের বিষয়গুলা আমি চোখ বুজলেই কল্পনাই খুজে পাই। বর্তমানে এই যান্ত্রিক জীবন মানুষকে অমানুষে।পরিনত করেছে। এত দ্রুত গামী যোগাযোগব্যবস্থা, বিভিন্ন যন্ত্র, মোবাইল, ফেইসবুক মানুষকে আবেগহীন অনুভূতিহীন করে তুলছে। কত্ত সুন্দর ছিল সেই রঙিন ভুবন। তাই আমি সব সময় বলি
লও এই নগর
ফিরিয়ে দাও আমার অরণ্য....

Saturday, April 21, 2018

সবারই বড় হয়ে কোনো না কোনো বড় কিছু হওয়ার স্বপ্ন থাকে। কেউ ডাক্তার হতে চাই, কেউ ইঞ্জিনিয়ার হতে হতে চাই, কেউ টিচার হতে চাই, আরো কথা কি। মোটকথা সবারই প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মতো ভাল একটা স্বপ্ন থাকে।
আমারও একটা স্বপ্ন আছে। যা আমি বড় হয়ে হতে চাই। আমি জানি আমার স্বপ্নের কথা শুনলে সকলেই হয়ত একটু অবাক হবেন। কারো আমি যা হওয়ার স্বপ্ন দেখি তা কারো কল্পনাতেই থাকে না। হবে তো দুরের কথা। এত কথা না বাড়িয়ে আমার স্বপ্নের কথাটা বলেই ফেলি। আমি গ্যাংস্টার হতে চাই। আমি সিরিয়াল কিলার হতে চাই। আমি অপরাধীদের সর্দার হয়ে চাই। কি অবাক হলেন নাকি??????
আমি বড় হয়ে বিশাল বড় একটা গ্যাং বানাব। দেশের সব শীর্ষ সন্ত্রাসীরা আমার আন্ডারে কাজ করবে। সবার সাথে দেশি বিদেশী সুপার ডুপার পিস্তল থাকবে।
প্রতিদিন রাত দুপুরে ট্রেনে বাসে ছিনতাই করব। আমার একটা নীতি থাকবে। সমাজের অবহেলিতরা যাতে আক্রমণে শিকার না হয়। সবার হাত দেখব। যাদের হাতে পরিশ্রমের ছাপ লেগে থাকবে তাদের কিছইু করব না। সকল ৫ তলা ওয়ালাদের মাথায় পিস্তল ঠিকিয়ে সব কিছু লুটে নিব। চোরাচালানকারীদের কাছ থেকে তাদের সব সম্পদ লুটে নিব। বড় লোকদের জিম্মি করে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করব। লুটপাট করে প্রচুর টাকা জমাবো। তারপর সব টাকা দেশের গরীবদের মাঝে বিলিয়ে দেব।।।
আমি সিরিয়াল কিলার হওয়ার কথাও বলেছিলাম। কারন আমাদের দেশে প্রতিদিনেই কোথাও না কোথাও ধর্ষণ হচ্ছে। কিন্তু আমাদের প্রশাসন একটা ধর্ষককে ধরতেই বছরের পর বছর লাগিয়ে দেয়। আমি সকল ধর্ষককে বিনা নোটিশে হত্যা করব। সকল বোনদের মুখে হাসি ফুটাব। পৃথিবীকে নারীদের নিরাপদ আবাস বানিয়ে যাব। সকলকে স্বপ্ন দেখা শিখাব, নিজের অধিকারের জন্য লড়তে শিখাব। সকল অপরাধীরাই আমার ভয়ে ভীরু হয়ে থাকবে। র‍্যাব পুলিশ আমার কিছুই করতে পারবে না। কারন চারদিকেই আমার লোক ছড়ানো থাকবে। যদিও ধরে ফেলে আমার লোকেরা বোমা বাজি করে প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মচারিকে কিটন্যাপ করে আসব। কারন আমার গুরু তো রবিন হুড। হব মজলুমের বন্ধু, অপরাধীর জম। সবাই আমার স্বপ্ন পূরনের জন্য দোয়া করবেন। যাতে লন্ঠন হাতে সমস্ত অন্ধকার দূর করতে পারি।।।।।
...আসবে কি তুমি?..
..... নাসিম
.
আসবে কি তুমি
আমার এই শূন্য ভবে?
সাজিয়ে দিবে তা
তোমার মনের রঙে।
তোমার স্পর্শ পেয়ে
কেটে নিরবতা
আমার জীবন যদি
পাই সজীবতা!
নেবে কি তোমি আমার
এইটুকু  ভার?
হতে পারে এটাই
ইচ্চা স্রষ্টার।
কথা দিলাম তোমায়
রাখব মুড়িয়ে
আদর সোহাগ
আর ভালবাসা দিয়ে।
এনে দেব ফুল
গুচ্ছ তোমায়
গেঁথে দেব তা,
চুলেরও খোঁপায়!
দেখাব জ্যোৎস্না প্রতিরাতে
আমার বুকের মাঝে শুয়িয়ে...
হাঁটতে যাব প্রতি
সন্ধ্যা প্রভাতে
হয়ত ফাঁকা রাস্তায়
বা নদীর তীরে।
বেশি কিছু আর
করতে হবে না তোমার
শুধু আমায় ভালবাসো।
আমার মাথার সাদা চুল গুলি
একটু তোলে দিও,
সর্বপরি শুধু
আমায় ভালবেসো।
কে তুমি? কি নাম?
কি ধর্ম পরিচয়?
আমার কাছে এটা
মূখ্য বিষয় নয়।
কি হল? আসবে কি তুমি?
একটু ভেবে দেখ..
উৎসর্গ: যাকে করেছি সে বুঝলেই হল!

Friday, April 13, 2018

এসো হে বৈশাখ

কাল থেকে শুরু হচ্ছে ১৪২৫ বঙ্গাব্দ। সবাইকে জানাই বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা।
নতুন বছর সবার খুব খুব ভাল কাটুক এই কামনা করি...

Tuesday, February 27, 2018

আমি বিশ্বাস করি একজন ব্যক্তি কখনো আরেকজন ব্যক্তির তুলনা হতে পারে না।। কেননা এই সৃষ্টি জগতে প্রত্যেকটা মানুষেই ইউনিক, একক ব্যক্তিত্বের অধিকারী।
হয়ত একজনের বাহ্যিক আকার, চাল চলন,  জীবন ব্যবস্থা অন্য আরেকজনের সাথে মিলতে পারে কিন্তু তাদের চিন্তা জগত কখনো এক হতে পারে না। তাদের চিন্তা জগত মন মানষিকতা ভিন্ন। হয়ত আমরা এক প্রেসিডেন্ট এর সাথে আরেক প্রেসিডেন্ট  এর তুলনা করতে পারি কিন্তু দেখেন যখন এক প্রেসিডেন্ট যখন আরেক দেশের বিরোদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে তখন আরেক প্রেসিডেন্ট দু দেশের মাঝে শান্তি ফিরিয়ে আনতে ব্যস্ত। বস্তির কোন ছেলে যখন মাদক গ্রহনে ব্যস্ত ঠিক সে সময় বস্তির আরেক ছেলেই কিভাবে এই অবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় সেই চেষ্টা করছে।
তাহলে আমরা এক ব্যক্তির সাথে অন্য ব্যক্তির তুলনা করি কি করে। একমাত্র নিজেই নিজের তুলানা হওয়া সম্ভব!!

Wednesday, February 14, 2018

আজ নাকি বিশ্ব ভালবাসা দিবস? আমি এই ভালবাসা দিবসকে কোন ভাবেই গ্রহণ করিনা।। কারন এই ভালবাসা দিবসের দিনেই ভালবাসার নামে কত অসামাজিক কাজ করা হয়। আচ্ছা ভালবাসা দিবস পালন করেন ঠিক আছে। কিন্তু এই দিন কি নিজের গালফেন্ডকে যেমন ভালবাসা দেখান অন্যদের কি তেমনি ভালবাসা দেখান? বাসের কন্টাক্টর ছেলেটি সাথে কি আপনি দূব্যবহার করেন না? কোন এক ক্ষুদার্ত ভিক্ষুক ১০ টাকার জায়গায় ১৫ টাকা ভিক্ষা চাইলে তখন কি তা আমরা তাদের দেই? তখন কোথায় থাকে আমাদের আজকের এই ভালবাসা দিবসের ভালবাসা।। এই ভালবাসা দিবসের ইতিহাসটাই বা জানে কয়জনে? রোমের সেইন্ট ভেলেন্টাস এই মানুষের ভালবাসাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য ফাসির মঞ্চে জুলতেও দ্বিধাবোধ করেন নি। তিনি শুধু এই।একটা দিনে গার্লফেন্ডের সাথে ভালবাসা প্রকাশ করবে বলে জীবন দেয়নি বরং সারাটি জীবন সকল মানুষকে ভালবাসার জন্য জীবন দিয়েছেন!

Monday, January 22, 2018

A very important advice.  it help to us for make our present time britegul. I hardly believe it... who I am??
.... আকাঙ্ক্ষা ও আত্নচিৎকার....
............ নাসিম
.
আমরা প্রতিনিয়ত কাওকে না কাওকে বিপদে পড়তে দেখছি। কেউ হয়তো এক্সিডেন্ট করে রাস্তার পাশে পড়ে কাকড়াচ্ছে। আমরা তাদের দেখেও না দেখার ভান করে চলে যায়। যদিও বা কাছে যায় তাহলে কোন রকম সাহায্য করিনা আইনী ঝামেলার জন্য।  বরং আমরা কি করি তৎক্ষনাত ছবি তোলে ফেইসবুকে আপলোড দেই। আচ্ছা বলুন তো আইনী জামেলাটা  বড় না একজন মানুষের প্রাণ বাঁচানোটা বড়??? একটিবার চোখ বন্ধ করে নিজেকে ওই রাস্তার ধারে পরে থাকা লোকটির জায়গায় কল্পনা করুন। দেখুন তো সে সময় আপনার মন একটু সহযোগীতা পাওয়ার জন্য কেমন ছটফট করে। চোখ দুটো কেমন অসহায় দৃষ্টিতে থাকে শুধু সহযোগিতার হাতটা একটু বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য। তাহলে আপনি কাওকে সহযোগিতা করছেননা কেন? আপনি যে এই পরিস্থিতিতে পড়বেন না তার কি কোন গ্যারান্টি আছে?? তখন যদি আপনার সাথেও এমনটা হয়?
শুধু এক্সিডেন্ট নয় অন্যের যে কোন বিপদে আমরা শুধু দাঁড়িয়ে উপভোগ করি। যদি আপনার সাথেও এমনটি হয় তখন কি করবেন?
তাই বলছি মানুষের বিপদে আপদে পাশে দাঁড়াতে শিখুন। তাহলে আপনার বিপদের দিনে অন্যরা কৃতঞ্জতা বোধ থেকে হলেও পাশে এসে দাঁড়াবে.....

Wednesday, December 27, 2017

Law - He is for the poor:

Bankimchandra has long been told: "Law, he is just a joke! The villagers can spend a lot of money and see the joke."

Suddenly I think this is because of my writing on Facebook with the hotel. After the publication of the article, many people say this is done for anti-social activities.

Yes, hard work is done, sometimes women's photographs are published in the magazine by men and women. But he is the common man at the hotel.

No five star hotels or clubs are so tight. We can not say that all activities are social or sacred. But it can be said that everyone is great, so they are above the law!

I remember a story about a long time ago. There is a movement to evacuate a slum of several distances from the house. The slums were established in support of the government. However, the protesters asked everyone to take part in this movement. Come to me too.

I wanted to know if there is a problem in the slums. Where are the poor people going haste? The leader of the movement told me that they were involved in drug trade, theft, prostitution etc. They have to be evicted in the interest of the area.

I then mentioned him as one of the two aristocratic areas of Dhaka city and said that the people living in those areas are big thieves, terrorists, drug dealers, and anti-social activists. Why do not you evict them before! You want to put so much children in the street in a day? Of course I did not have any work. The slums have been completely evicted.

The law should be made for everyone. But for hundreds of years, our country's laws, customs, policies should be only for the poor and the common man.

In a video yesterday, I saw the children from the park outside a Dhaka park and their parents were called. We do not want porn in society. But children in many elite areas of Dhaka may be involved in more bad work. But it is sure they will never be caught.

Rich people can see what the DVD wants in the home, on the internet, there is no problem! Content Regulation does not matter. But everyone is terribly cautious about the poor porn so that there is no indecency at all. If the animals are dressed in animals then.
Why they are so bad! The orato is poor!

Bankim Chandra is still very much thinking how true!

মেয়েদের বুঝি সৃষ্টিকর্তা কোনো এক শুক্রবার খুব যত্নে, আদরে গড়েছেন।

 মেয়েদের বুঝি সৃষ্টিকর্তা কোনো এক শুক্রবার খুব যত্নে, আদরে গড়েছেন।🥰🥰 হলি ক্রস কলেজের প্রিন্সিপাল সিস্টার শিখা মহিয়সী ছাত্রীদের উদ্দেশে ব...